April 20, 2026, 1:33 am

গজারিয়ায় তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থী ধর্ষনের শিকার, ধর্ষক আটক

ওসমান গনি ঃমুন্সীগঞ্জর গজারিয়া উপজেলায় চায়ের দোকানে পুড়ি কিনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে তৃতীয় শ্রেনীতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী।

জানা যায় গতকাল মঙ্গলবার (২৬/১০/২০২১ইং) দুপুর আনুঃ২ঘটিকার দিকে উপজেলায় ভবেরচর এলাকার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার মা’র অভিযোগ এর ভিত্তিতে ৩ঘন্টার ব্যবধানে আমির হোসেন (৪৫) নামে এক জনকে আটক করেছে গজারিয়া থানা পুলিশ।অভিযুক্ত আমির হোসেন ভবেরচর(মধ্যপাড়া’র) মোঃআব্দুর রশিদ এর ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,১০বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী আলীপুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর শিক্ষার্থী।ভবেরচর কলেজ রোডে চা,পুড়ি,সিঙ্গারার দোকানে পুড়ি কিনতে আসলে তাঁকে ফুসলিয়া হোটেলের ভিতর নিয়া মুখ চাপিয়া তাহার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোড়পূর্বক ধর্ষন করে।ধর্ষনের ফলে ভিকটিমের রক্তপাত হতে থাকে এতে সে অসুস্থ অবস্থায় বাসায় গিয়ে মা-বাবাকে তৎক্ষণাৎ বিষয়টি অবহিত করেন। এরপর তাঁর পরিবার তাকে প্রথমে ভবেরচরস্থ মিয়াজী জেনারেল হাস পাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।বর্তমানে সে ঐ হাসপাতালের ও,সি,সি ওয়ার্ডে ভর্তি আছে।

এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রইছ উদ্দীন জানান, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্তকে তিন ঘন্টার ব্যবধানে আটক করা হয়েছে,আজ তাঁকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা